আমরা শুধু একটি বেটিং ওয়েবসাইট নই। bewin হলো একটি প্রতিশ্রুতি – বাংলাদেশের প্রতিটি কোণের মানুষ যেন নিরাপদে, সহজে এবং নিজের ভাষায় অনলাইন বেটিং উপভোগ করতে পারেন সেই লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।
bewin শুরু হয়েছিল একটি সহজ চিন্তা থেকে – বাংলাদেশের মানুষ কেন একটি বিশ্বস্ত, বাংলা ভাষায় পরিচালিত এবং স্থানীয় পেমেন্ট সুবিধাযুক্ত বেটিং প্ল্যাটফর্ম পাবেন না? সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়েই ২০২০ সালে আমাদের যাত্রা শুরু।
আমাদের দল প্রযুক্তি, আর্থিক নিরাপত্তা এবং গেমিং অভিজ্ঞতার বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত। তাদের সবার একটাই লক্ষ্য – প্ল্যাটফর্মটাকে এমনভাবে তৈরি রাখা যেন ঢাকার কেউ যেমন সহজে ব্যবহার করতে পারেন, তেমনি বরগুনার প্রান্তিক কেউও।
bewin-এ আজ পাঁচ লাখেরও বেশি সক্রিয় সদস্য আছেন বাংলাদেশের সব ৬৪ জেলা থেকে। এই মানুষগুলোর বিশ্বাস আর প্রতিদিনের ব্যবহারই আমাদের সবচেয়ে বড় পুরস্কার।
বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের জন্য একটি নিরাপদ, স্বচ্ছ এবং মজাদার অনলাইন বেটিং অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করা – যেখানে ভাষার বাধা নেই, পেমেন্টে ঝামেলা নেই এবং সাহায্যের জন্য সবসময় কেউ আছেন।
দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে ব্যবহারকারীবান্ধব এবং বিশ্বাসযোগ্য বেটিং প্ল্যাটফর্ম হয়ে ওঠা, যেখানে প্রযুক্তি ও মানবিক স্পর্শ একসাথে কাজ করে।
স্বচ্ছতা, দায়িত্বশীলতা এবং ব্যবহারকারীর সুবিধাকে সবার আগে রাখা – এই তিনটি নীতিতে bewin পরিচালিত হয়।
বাংলাদেশের বেটরদের জন্য যে সুবিধাগুলো আমরা নিশ্চিত করেছি
মেনু থেকে সাপোর্ট পর্যন্ত সব বাংলায়। নতুন ব্যবহারকারীরা যেন ভাষার কারণে কোনো সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন, সেটা আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার। নির্দেশিকা, নোটিফিকেশন, লাইভ চ্যাট – সবই মাতৃভাষায়।
bKash, নগদ, রকেট এবং ব্যাংক ট্রান্সফার – বাংলাদেশের মানুষ যে পদ্ধতিতে অভ্যস্ত সেগুলোই bewin-এ সক্রিয়। ডিপোজিট তাৎক্ষণিক, উইথড্রয়াল গড়ে মাত্র পনেরো মিনিটে।
256-bit SSL এনক্রিপশন, দ্বি-স্তরীয় যাচাইকরণ, AI-চালিত জালিয়াতি শনাক্ত প্রযুক্তি এবং পৃথক ট্রাস্ট ফান্ড – আপনার টাকা ও তথ্য দুটোই সর্বোচ্চ সুরক্ষায় থাকে।
রাত তিনটায়ও যদি কোনো প্রশ্ন আসে, bewin-এর সাপোর্ট টিম সেখানে থাকে। লাইভ চ্যাট, ইমেইল – সব মাধ্যমেই বাংলায় সাড়া মেলে, সাধারণত তিন মিনিটের মধ্যে।
bewin-এ ক্রিকেট, ফুটবল এবং অন্যান্য খেলায় বাজারের সেরা অডস পাওয়া যায়। নিয়মিত বেটরদের রিভিউতে বারবার এসেছে যে bewin-এ অডস গড়ের চেয়ে একটু বেশি থাকে।
বেটিং মজাদার হওয়া উচিত, চাপের নয়। bewin-এ দৈনিক বাজেট লিমিট, স্ব-বিরতি বিকল্প এবং সচেতনতামূলক নির্দেশিকা রয়েছে, যা ব্যবহারকারীকে সুস্থ সীমার মধ্যে থাকতে সাহায্য করে।
শুরু থেকে এখন পর্যন্ত
ঢাকায় একটি ছোট দল নিয়ে bewin শুরু হয়। মূল লক্ষ্য ছিল একটাই – বাংলাদেশের মানুষের জন্য সহজ ও বিশ্বাসযোগ্য বেটিং প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা।
মাত্র এক বছরে ৫০,০০০ নিবন্ধিত সদস্য। bKash ও নগদ পেমেন্ট যোগ করা হয় এবং বাংলা ইন্টারফেস পুরোপুরি চালু হয়।
রিয়েল-টাইম লাইভ বেটিং এবং বাংলাদেশি ডিলারসহ লাইভ ক্যাসিনো চালু করা হয়। সদস্য সংখ্যা দুই লাখ ছাড়িয়ে যায়।
সম্পূর্ণ মোবাইল-ফার্স্ট রিডিজাইন। পুরানো Android ডিভাইসেও মসৃণ অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করা হয়। সদস্য সংখ্যা তিন লাখ ছাড়ায়।
AI-ভিত্তিক নিরাপত্তা, VIP লয়্যালটি প্রোগ্রাম এবং নতুন গেম বিভাগ যুক্ত হয়। bewin এখন বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি রিভিউ পাওয়া বেটিং প্ল্যাটফর্ম।
যে নীতিগুলো আমাদের প্রতিটি সিদ্ধান্তকে পরিচালিত করে
অডস, বোনাস শর্ত, পেমেন্ট নিয়ম – সব কিছু বাংলায় স্পষ্টভাবে লেখা। কোনো লুকানো শর্ত নেই।
প্রতিটি লেনদেন এনক্রিপ্টেড, ব্যবহারকারীর তথ্য কখনো তৃতীয় পক্ষের সাথে ভাগ হয় না।
প্রতিটি ফিচার, প্রতিটি আপডেট ব্যবহারকারীর সুবিধার কথা মাথায় রেখে তৈরি হয়।
আমরা চাই আমাদের প্ল্যাটফর্ম মানুষের আনন্দের উৎস হোক, কোনো সমস্যার কারণ নয়।
প্রযুক্তির নতুন সুযোগকে কাজে লাগিয়ে আমরা প্রতিনিয়ত আরও ভালো হওয়ার চেষ্টা করি।
বাংলাদেশের সংস্কৃতি, ভাষা ও পেমেন্ট অভ্যাসকে কেন্দ্রে রেখে সব কিছু গড়া হয়েছে।
অনলাইন বেটিং অনেক মানুষের কাছে আগে ছিল জটিল, বিদেশি ভাষায় পরিচালিত এবং পেমেন্টের ঝামেলায় ভরা। bewin সেই অভিজ্ঞতাটাকে সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছে।
আমরা প্রথম থেকেই বুঝেছিলাম যে বাংলাদেশের মানুষের জন্য সবচেয়ে বড় বাধা দুটো – ভাষা এবং পেমেন্ট। ইংরেজিতে লেখা জটিল শর্তাবলী বুঝতে না পেরে অনেকেই বোনাস হারান, আবার আন্তর্জাতিক কার্ড না থাকায় অনেকে ডিপোজিটই করতে পারেন না। bewin-এ এই দুটো সমস্যার কোনোটাই নেই।
আমাদের পুরো ইন্টারফেস বাংলায়, সব নিয়ম বাংলায় লেখা, বোনাসের শর্ত বাংলায় ব্যাখ্যা করা এবং সাপোর্ট টিম বাংলায় কথা বলে। এটা শুনতে সহজ মনে হলেও বাস্তবে করতে অনেক পরিশ্রম লেগেছে এবং আমরা গর্বিত যে এটা করতে পেরেছি।
পেমেন্টের বিষয়ে bewin-এ bKash ও নগদ দিয়ে মাত্র কয়েক সেকেন্ডে ডিপোজিট হয় এবং উইথড্রয়াল সাধারণত পনেরো মিনিটের মধ্যে সম্পন্ন হয়। রাতের বেলাতেও, সপ্তাহান্তেও – যেকোনো সময়। এই নির্ভরযোগ্যতাটাই মানুষের আস্থা তৈরি করেছে।
bewin-এর সাফল্যের পেছনে আরেকটি বড় কারণ হলো ক্রিকেট বিভাগ। বাংলাদেশে ক্রিকেট শুধু খেলা নয়, আবেগ। সেই আবেগকে সম্মান করে আমরা ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি মার্কেট, সবচেয়ে দ্রুত লাইভ অডস এবং বাংলাদেশ জাতীয় দলের প্রতিটি ম্যাচে বিশেষ মনোযোগ দিই।
আমাদের দলে আছেন প্রযুক্তিবিদ, ডেটা বিশ্লেষক, গ্রাহকসেবা বিশেষজ্ঞ এবং ক্রীড়া বিশ্লেষক। তাদের প্রত্যেকের একটাই কাজ – আপনার bewin অভিজ্ঞতাকে প্রতিদিন একটু ভালো করা।
আন্তর্জাতিক গেমিং কমিশন কর্তৃক লাইসেন্সপ্রাপ্ত ও নিয়মিত অডিটকৃত।
ব্যাংকিং-স্তরের এনক্রিপশনে সব লেনদেন ও ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত।
ব্যবহারকারীর অর্থ সর্বদা পৃথক অ্যাকাউন্টে সংরক্ষিত, অপারেশনাল ফান্ডের সাথে মিশ্রিত নয়।
রিয়েল-টাইম AI মনিটরিং সন্দেহজনক কার্যক্রম তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করে।
নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিতে প্রতিটি অ্যাকাউন্ট যাচাই করা হয়।
প্রতিটি গেমের ফলাফলের ন্যায্যতা স্বাধীন অডিটর প্রতি বছর যাচাই করেন।
যারা প্রতিদিন bewin-কে সামনে এগিয়ে নিয়ে যান
১২ বছরের ফিনটেক অভিজ্ঞতা। বাংলাদেশের ডিজিটাল পেমেন্ট খাতের অগ্রদূতদের একজন।
মোবাইল-ফার্স্ট আর্কিটেকচার বিশেষজ্ঞ। bewin-এর দ্রুত পারফরম্যান্সের পেছনে তাঁর অবদান।
ক্রিকেট ও ফুটবলের গভীর জ্ঞান। bewin-এর অডস সিস্টেমের মূল পরিকল্পনাকারী।
বাংলা সাপোর্ট টিমের নেতৃত্ব দেন। ৯২% সন্তুষ্টির হার তাঁর দলের কাজের ফল।
*গোপনীয়তার কারণে পূর্ণ নাম আংশিক পরিবর্তিত।
bewin-এ আমরা বিশ্বাস করি যে বেটিং একটি বিনোদন, একটি জীবনধারা নয়। তাই আমাদের প্ল্যাটফর্মে দায়িত্বশীল গেমিংকে প্রযুক্তির সাহায্যে সহজ করা হয়েছে।
আপনি নিজেই ঠিক করতে পারবেন প্রতিদিন বা প্রতি সপ্তাহে কতটা বাজি ধরবেন। সেই সীমা ছাড়িয়ে গেলে সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে সতর্ক করে দেয়। চাইলে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নিজেকে লক করে রাখতেও পারবেন।
যদি কখনো মনে হয় বেটিং আপনার দৈনন্দিন জীবনকে প্রভাবিত করছে, সঙ্গে সঙ্গে bewin সাপোর্টে যোগাযোগ করুন – আমরা সাহায্য করতে সর্বদা প্রস্তুত।
দায়িত্বশীল গেমিং পড়ুনbewin সম্পর্কে যা জানতে চান